আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক ঘিরে রহস্য ছিল সব সময়ই। তাঁর মস্তিষ্ক গোপনে বিভিন্নভাবে হাতবদলও হয়েছে। এমনকি আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক-রহস্য নিয়ে মাইকেল প্যাটার্নিটি ‘ড্রাইভিং মি. অ্যালবার্ট’ নামে একটি বইও লিখেছেন। কিন্তু কী ছিল পদার্থবিদ আইনস্টাইনের মাথার রহস্য যে তিনি ভুলে যেতেন এ পৃথিবীর সহজতম কাজ, কিন্তু মনে রাখতেন গণিতের জটিল সব সূত্র? এবার তাঁর মস্তিষ্ক বিশ্লেষণের সুযোগ পাচ্ছেন গবেষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবাই। মাত্র ৯.৯৯ ডলারে আইপ্যাড অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে জানা যাবে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক-রহস্য।
আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের স্লাইড স্ক্যান ও ছবি ডিজিটাইজ করে আইপ্যাডের জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি হয়েছে ২৫ সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন ও শিকাগো স্যাটেলাইট মিউজিয়ামের পক্ষ থেকে এ অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হয়েছে। আইপ্যাডের জন্য তৈরি এ অ্যাপ্লিকেশনটি মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করে সূক্ষ্ম পরীক্ষার কাজেও ব্যবহার করতে পারবেন গবেষকেরা।
শিকাগোর ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব হেলথ অ্যান্ড মেডিসিনের পরামর্শক স্টিভ ল্যান্ডার্স জানিয়েছেন, ‘আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক ডাউনলোড করে সবাই কী খুঁজে পাবে, তা জানতে আমার ধৈর্য সইছে না।’ ল্যান্ডার্স আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, আইনস্টাইন নিজেও এ অ্যাপ্লিকেশনটি বিষয়ে উত্সাহী হতেন।’
১৯৫৫ সালে আইনস্টাইন মারা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রিন্সটন হাসপাতালের চিকিত্সক টমাস স্লজ হার্ভি আইস্টাইনের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করেছিলেন। ভবিষ্যতে গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক আলাদা করে শত শত স্লাইডে তার নমুনা সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন তিনি। ভবিষ্যতে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক গবেষণা করে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যাবে, এ লক্ষ্যেই তিনি মস্তিষ্ক আলাদা করে রেখেছিলেন।
১৯৯৯ সালে ‘ল্যানচেট’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রের জন্য হার্ভে গবেষকদের কাছে আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের স্লাইড ও নমুনা সরবরাহ করেছিলেন। সে গবেষণা অনুসারে, আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের প্যারিয়েটাল লোব নামের একটি অংশ সাধারণ মস্তিষ্কের তুলনায় ১৫ শতাংশ প্রশস্ত ছিল। এ অংশটিই গণিতের মতো জটিল বিষয়গুলো বুঝতে সাহায্য করে।
আরেক দল গবেষকের মতে, আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা করেও অস্বাভাবিক কোনো তথ্য উদ্ধার করতে করা যায়নি। তাঁরা মনে করেন, তাঁর মস্তিষ্কের আকারও স্বাভাবিক ছিল। তবে আইনস্টাইনের মস্তিষ্কে ‘জিলিয়াল’ কোষের অনুপাত অন্যান্য মস্তিষ্কের তুলনায় বেশি ছিল। গবেষকরা বলছেন, এতে করে নিউরনের সঙ্গে যোগাযোগ-ব্যবস্থায় সহায়তা পেত তাঁর মস্তিষ্কের বাকি অংশ।
হার্ভির হাত থেকে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক চলে আসে ফিলাডেলফিয়ার শিশু হাসপাতালের স্নায়ুবিদ লুসি রোরকি-অ্যাডামসের কাছে। তিনিও আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল বিভিন্ন বয়সের মস্তিষ্কের সঙ্গে তুলনা করা। গবেষণার ফল হিসেবে লুসি জানিয়েছিলেন, ‘অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক তরুণ মস্তিষ্কের মতোই মনে হয়। আর তাঁর মস্তিষ্কে বয়সের কোনো ছাপ পড়েনি।’
শিকাগোর স্নায়ুবিদ ফিলিপ ইপসটেইন জানিয়েছেন, নতুন আইপ্যাড অ্যাপ্লিকেশনটি গবেষকদের আইস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়ে আরও বেশি গবেষণার সুযোগ তৈরি করবে। কিন্তু স্লাইডগুলো আধুনিক ছবি তোলার প্রযুক্তির উদ্ভাবনের আগের তাই গবেষকদের প্রতিটি স্লাইড আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের কোন অংশের, তা নির্ণয় করা কঠিন হতে পারে বলে এ অ্যাপ্লিকেশনটির সমালোচনাও হচ্ছে।
আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের স্লাইড স্ক্যান ও ছবি ডিজিটাইজ করে আইপ্যাডের জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি হয়েছে ২৫ সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন ও শিকাগো স্যাটেলাইট মিউজিয়ামের পক্ষ থেকে এ অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হয়েছে। আইপ্যাডের জন্য তৈরি এ অ্যাপ্লিকেশনটি মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করে সূক্ষ্ম পরীক্ষার কাজেও ব্যবহার করতে পারবেন গবেষকেরা।
শিকাগোর ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব হেলথ অ্যান্ড মেডিসিনের পরামর্শক স্টিভ ল্যান্ডার্স জানিয়েছেন, ‘আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক ডাউনলোড করে সবাই কী খুঁজে পাবে, তা জানতে আমার ধৈর্য সইছে না।’ ল্যান্ডার্স আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, আইনস্টাইন নিজেও এ অ্যাপ্লিকেশনটি বিষয়ে উত্সাহী হতেন।’
১৯৫৫ সালে আইনস্টাইন মারা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রিন্সটন হাসপাতালের চিকিত্সক টমাস স্লজ হার্ভি আইস্টাইনের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করেছিলেন। ভবিষ্যতে গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক আলাদা করে শত শত স্লাইডে তার নমুনা সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন তিনি। ভবিষ্যতে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক গবেষণা করে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যাবে, এ লক্ষ্যেই তিনি মস্তিষ্ক আলাদা করে রেখেছিলেন।
১৯৯৯ সালে ‘ল্যানচেট’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রের জন্য হার্ভে গবেষকদের কাছে আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের স্লাইড ও নমুনা সরবরাহ করেছিলেন। সে গবেষণা অনুসারে, আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের প্যারিয়েটাল লোব নামের একটি অংশ সাধারণ মস্তিষ্কের তুলনায় ১৫ শতাংশ প্রশস্ত ছিল। এ অংশটিই গণিতের মতো জটিল বিষয়গুলো বুঝতে সাহায্য করে।
আরেক দল গবেষকের মতে, আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা করেও অস্বাভাবিক কোনো তথ্য উদ্ধার করতে করা যায়নি। তাঁরা মনে করেন, তাঁর মস্তিষ্কের আকারও স্বাভাবিক ছিল। তবে আইনস্টাইনের মস্তিষ্কে ‘জিলিয়াল’ কোষের অনুপাত অন্যান্য মস্তিষ্কের তুলনায় বেশি ছিল। গবেষকরা বলছেন, এতে করে নিউরনের সঙ্গে যোগাযোগ-ব্যবস্থায় সহায়তা পেত তাঁর মস্তিষ্কের বাকি অংশ।
হার্ভির হাত থেকে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক চলে আসে ফিলাডেলফিয়ার শিশু হাসপাতালের স্নায়ুবিদ লুসি রোরকি-অ্যাডামসের কাছে। তিনিও আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল বিভিন্ন বয়সের মস্তিষ্কের সঙ্গে তুলনা করা। গবেষণার ফল হিসেবে লুসি জানিয়েছিলেন, ‘অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক তরুণ মস্তিষ্কের মতোই মনে হয়। আর তাঁর মস্তিষ্কে বয়সের কোনো ছাপ পড়েনি।’
শিকাগোর স্নায়ুবিদ ফিলিপ ইপসটেইন জানিয়েছেন, নতুন আইপ্যাড অ্যাপ্লিকেশনটি গবেষকদের আইস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়ে আরও বেশি গবেষণার সুযোগ তৈরি করবে। কিন্তু স্লাইডগুলো আধুনিক ছবি তোলার প্রযুক্তির উদ্ভাবনের আগের তাই গবেষকদের প্রতিটি স্লাইড আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের কোন অংশের, তা নির্ণয় করা কঠিন হতে পারে বলে এ অ্যাপ্লিকেশনটির সমালোচনাও হচ্ছে।
৯.৯৯ ডলারে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক! - প্রথম আলো
No comments:
Post a Comment