সরকারিভাবে উৎপাদিত কনডমের উৎপাদন বাড়িয়ে তা রপ্তানির সুপারিশ করেছে সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত হিসাব কমিটি। আজ রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির এক বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়।
সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এসেনসিয়াল ড্রাগ কোম্পানি লিমিডেটের (ইডিসিএল) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে বছরে যে পরিমাণ কনডমের প্রয়োজন হয়, তার পুরোটাই খুলনারর এসেনসিয়াল ল্যাটেক্স প্লান্ট থেকে উৎপাদন করা সম্ভব। সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, ইডিসিএলের তথ্যের ভিত্তিতে সংসদীয় কমিটি দেশীয় কাঁচামাল (ল্যাটেক্স) ব্যবহার করে উৎপাদিত কনডম দিয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত কনডম রপ্তানি করতে বলেছে। এ জন্য কমিটি কনডমের উৎপাদন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে।
এ বিষয়ে কমিটির সদস্য মঈন উদ্দীন খান বাদল প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে যে কনডম উত্পাদন হচ্ছে, তার গুণগত মান মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা কনডমের চেয়ে ভালো। সরকারি এই কারখানা দেশের চাহিদার চেয়ে বেশি পরিমাণে উৎপাদন করতে সক্ষম। সে জন্য কমিটি উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানি করতে বলেছে।’
বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, গত ২০১১-১২ অর্থবছরে খুলনা এসেনসিয়াল ল্যাটেক্স প্লান্ট ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের কনডম বাজারে সরবরাহ করেছে। সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির (এসএমসি) হিসাব মতে, দেশে প্রতিদিন ৮০ লাখের বেশি কনডমের চাহিদা রয়েছে। সে হিসাবে বছরে কনডমের চাহিদার পরিমাণ প্রায় ৩০০ কোটি। বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে অনুসারে, কনডমের মোট চাহিদার সাড়ে ৫৬ শতাংশের জোগান দেয় এসএমসি (রাজা, প্যান্থার, সেনসেশন, হিরো)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় প্যান্থার (২৭ দশমিক ৪ শতাংশ)। পরিবার পরিকল্পনা কাজের আওতায় সরকার বিনা মূল্যে বিতরণ করে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ কমডম। দাতাদের অর্থে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে সরকার এসব কনডম কেনে। ৬ দশমিক ৩ শতাংশ কনডম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আমদানি করে বাজারে সরবরাহ করে থাকে। বাকি ১৩ শতাংশ কনডম সরবরাহ করে বিভিন্ন এনজিও।
কমিটির সভাপতি এ বি এম গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য এস কে আবু বাকের, খান টিপু সুলতান ও মঈন উদ্দীন খান বাদল অংশ নেন। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহম্মদ হুমায়ুন কবীর, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী প্রমুখ।
সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এসেনসিয়াল ড্রাগ কোম্পানি লিমিডেটের (ইডিসিএল) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে বছরে যে পরিমাণ কনডমের প্রয়োজন হয়, তার পুরোটাই খুলনারর এসেনসিয়াল ল্যাটেক্স প্লান্ট থেকে উৎপাদন করা সম্ভব। সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, ইডিসিএলের তথ্যের ভিত্তিতে সংসদীয় কমিটি দেশীয় কাঁচামাল (ল্যাটেক্স) ব্যবহার করে উৎপাদিত কনডম দিয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত কনডম রপ্তানি করতে বলেছে। এ জন্য কমিটি কনডমের উৎপাদন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে।
এ বিষয়ে কমিটির সদস্য মঈন উদ্দীন খান বাদল প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে যে কনডম উত্পাদন হচ্ছে, তার গুণগত মান মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা কনডমের চেয়ে ভালো। সরকারি এই কারখানা দেশের চাহিদার চেয়ে বেশি পরিমাণে উৎপাদন করতে সক্ষম। সে জন্য কমিটি উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানি করতে বলেছে।’
বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, গত ২০১১-১২ অর্থবছরে খুলনা এসেনসিয়াল ল্যাটেক্স প্লান্ট ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের কনডম বাজারে সরবরাহ করেছে। সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির (এসএমসি) হিসাব মতে, দেশে প্রতিদিন ৮০ লাখের বেশি কনডমের চাহিদা রয়েছে। সে হিসাবে বছরে কনডমের চাহিদার পরিমাণ প্রায় ৩০০ কোটি। বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে অনুসারে, কনডমের মোট চাহিদার সাড়ে ৫৬ শতাংশের জোগান দেয় এসএমসি (রাজা, প্যান্থার, সেনসেশন, হিরো)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় প্যান্থার (২৭ দশমিক ৪ শতাংশ)। পরিবার পরিকল্পনা কাজের আওতায় সরকার বিনা মূল্যে বিতরণ করে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ কমডম। দাতাদের অর্থে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে সরকার এসব কনডম কেনে। ৬ দশমিক ৩ শতাংশ কনডম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আমদানি করে বাজারে সরবরাহ করে থাকে। বাকি ১৩ শতাংশ কনডম সরবরাহ করে বিভিন্ন এনজিও।
কমিটির সভাপতি এ বি এম গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য এস কে আবু বাকের, খান টিপু সুলতান ও মঈন উদ্দীন খান বাদল অংশ নেন। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহম্মদ হুমায়ুন কবীর, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী প্রমুখ।
কনডম রপ্তানির সুপারিশ - প্রথম আলো
No comments:
Post a Comment