কথায় বলে, ‘শরীরের নাম মহাশয়, যা সওয়াবে তা-ই সয়’। তাই বলে শরীরের ভেতর ইলেকট্রনিক যন্ত্র? হ্যাঁ, এটি সম্ভব বলে দাবি করছেন গবেষকেরা। তাঁরা বলছেন, চিকিত্সার প্রয়োজনে বিশেষ একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র শরীরের নির্দিষ্ট অংশে ওষুধ প্রয়োগের পর আপনাআপনি তা গলে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা সম্প্রতি অতি পাতলা এমন এক ইলেকট্রনিক যন্ত্রের উদ্ভাবন করেছেন, যা চিকিত্সা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনে এ তথ্য জানানো হয়।
‘সায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে গবেষকেরা জানান, ইলেকট্রনিক এ যন্ত্রাংশটি তৈরি হবে সিলিকন ও ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড থেকে, যার ওপর রেশমের আবরণ থাকবে। এ ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরির ক্ষেত্রটিকে বলা হয় ‘ট্রান্সিয়েন্ট ইলেকট্রনিকস’। কাজ শেষে যন্ত্রাংশটি শরীরের ভেতরেই গলে যাবে। এ ধরনের প্রযুক্তি আহত কোনো ব্যক্তির শরীরকে গরম করতে ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রক্ষা করতে ব্যবহূত হয়।
ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এ মেডিকেল সেন্সর তৈরিতে কাজ করছেন। এ প্রসঙ্গে গবেষক জন রজার্স জানিয়েছেন, এ ধরনের মেডিকেল সেন্সর গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগানো যাবে। কাজ শেষ করার পর যন্ত্রাংশটি শরীরে মিশে যাবে। সিলিকন ও ম্যাগনেশিয়ামের সঙ্গে রেশমের কাঠামো মিলিয়ে তৈরি হয় ন্যানোমেমব্রেন বা ক্ষুদ্র একটি ইলেকট্রনিক সেন্সর, যা সহজেই শরীরে মিশে যেতে পারে। এ সেন্সরে করে শরীরের কোনো অংশে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
গবেষকেরা এ প্রযুক্তিটি চিকিত্সা ক্ষেত্র ছাড়াও কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে ব্যবহার করার কথাও ভাবছেন। গবেষকেরা আশা করছেন, এ ধরনের প্রযুক্তি কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে যুক্ত করা সম্ভব হলে তা আরও পরিবেশবান্ধব হবে।
‘সায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে গবেষকেরা জানান, ইলেকট্রনিক এ যন্ত্রাংশটি তৈরি হবে সিলিকন ও ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড থেকে, যার ওপর রেশমের আবরণ থাকবে। এ ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরির ক্ষেত্রটিকে বলা হয় ‘ট্রান্সিয়েন্ট ইলেকট্রনিকস’। কাজ শেষে যন্ত্রাংশটি শরীরের ভেতরেই গলে যাবে। এ ধরনের প্রযুক্তি আহত কোনো ব্যক্তির শরীরকে গরম করতে ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রক্ষা করতে ব্যবহূত হয়।
ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এ মেডিকেল সেন্সর তৈরিতে কাজ করছেন। এ প্রসঙ্গে গবেষক জন রজার্স জানিয়েছেন, এ ধরনের মেডিকেল সেন্সর গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগানো যাবে। কাজ শেষ করার পর যন্ত্রাংশটি শরীরে মিশে যাবে। সিলিকন ও ম্যাগনেশিয়ামের সঙ্গে রেশমের কাঠামো মিলিয়ে তৈরি হয় ন্যানোমেমব্রেন বা ক্ষুদ্র একটি ইলেকট্রনিক সেন্সর, যা সহজেই শরীরে মিশে যেতে পারে। এ সেন্সরে করে শরীরের কোনো অংশে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
গবেষকেরা এ প্রযুক্তিটি চিকিত্সা ক্ষেত্র ছাড়াও কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে ব্যবহার করার কথাও ভাবছেন। গবেষকেরা আশা করছেন, এ ধরনের প্রযুক্তি কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে যুক্ত করা সম্ভব হলে তা আরও পরিবেশবান্ধব হবে।
যন্ত্র গলবে শরীরের ভেতর! - প্রথম আলো
No comments:
Post a Comment