হাতিরঝিলে কিশোর-প্রেমের মৃত্যু
রাজধানীতে আজ শুক্রবার ভোরে হাতিরঝিলের পানিতে দুই কিশোর-কিশোরী ঝাঁপ দিয়ে পড়ার ঘটনায় মারা গেছে কিশোর। উদ্ধার করা কিশোরীর বরাত দিয়ে পুলিশ দাবি করেছে, পরিবারের সদস্যরা দুজনের প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তারা আত্মহত্যার চেষ্টায় পানিতে ঝাঁপ দিয়েছিল।
ভোর ছয়টার দিকে ছেলেটির লাশ উদ্ধার করে বাড্ডা থানার পুলিশ। কিশোরের নাম এহসানুল হক তন্ময় (১৬)। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে দেওয়া বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিলের ভাষ্য, এ দুজনই মগবাজারের একটি স্কুলের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। বেশ কিছুদিন ধরে তাদের মন দেওয়া-নেওয়া চলছিল। মেয়ের পরিবার এ সম্পর্ক মেনে নেয়নি। আজ ভোরে তারা দুজনই হাতিরঝিলের পানিতে ঝাঁপ দেয়। মেয়েটিকে আশপাশের নিরাপত্তাকর্মীরা উদ্ধার করতে পারলেও ছেলেটি পানিতে তলিয়ে যায়। পরে ডুবুরির মাধ্যমে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
মেয়েটির স্বজনেরা জানান, তাঁরা পরীবাগ এলাকায় থাকেন। মগবাজার দিলু রোডের একটি স্কুলে দশম শ্রেণি ছাত্রী মেয়েটি। ছয় মাস আগে মৌচাকের এক কাপড় ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের কাবিন হয়।
ছেলের স্বজনেরা জানান, নিউ ইস্কাটন রোডে পরিবারের সঙ্গে থাকত তন্ময়। সে দিলু রোডের ওই একই স্কুলের ছাত্র। তার একটি ছোট বোন আছে।
উভয় পরিবারের ভাষ্য, গতকাল সন্ধ্যায় দুজনই নিজ নিজ বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এর পর থেকেই তাঁদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মেয়ের পরিবার এ ঘটনায় শহাবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। আজ সকাল সাড়ে আটটার দিকে তাঁরা এ দুর্ঘটনার সংবাদ পান।
বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর তন্ময়ের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পরিবার সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।
TECH GURU, TECH-SCIENCE NEWS
"I celebrate myself, and sing myself,
and what I assume you shall assume,
for every atom belonging to me as good belongs to you."
Friday, January 3, 2014
দশম শ্রেণীর বিবাহিতা ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম, হাতিরঝিলে আত্মহত্যা করল কিশোর
হাতিরঝিলে কিশোর-প্রেমের মৃত্যু
রাজধানীতে আজ শুক্রবার ভোরে হাতিরঝিলের পানিতে দুই কিশোর-কিশোরী ঝাঁপ দিয়ে পড়ার ঘটনায় মারা গেছে কিশোর। উদ্ধার করা কিশোরীর বরাত দিয়ে পুলিশ দাবি করেছে, পরিবারের সদস্যরা দুজনের প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তারা আত্মহত্যার চেষ্টায় পানিতে ঝাঁপ দিয়েছিল।
ভোর ছয়টার দিকে ছেলেটির লাশ উদ্ধার করে বাড্ডা থানার পুলিশ। কিশোরের নাম এহসানুল হক তন্ময় (১৬)। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে দেওয়া বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিলের ভাষ্য, এ দুজনই মগবাজারের একটি স্কুলের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। বেশ কিছুদিন ধরে তাদের মন দেওয়া-নেওয়া চলছিল। মেয়ের পরিবার এ সম্পর্ক মেনে নেয়নি। আজ ভোরে তারা দুজনই হাতিরঝিলের পানিতে ঝাঁপ দেয়। মেয়েটিকে আশপাশের নিরাপত্তাকর্মীরা উদ্ধার করতে পারলেও ছেলেটি পানিতে তলিয়ে যায়। পরে ডুবুরির মাধ্যমে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
মেয়েটির স্বজনেরা জানান, তাঁরা পরীবাগ এলাকায় থাকেন। মগবাজার দিলু রোডের একটি স্কুলে দশম শ্রেণি ছাত্রী মেয়েটি। ছয় মাস আগে মৌচাকের এক কাপড় ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের কাবিন হয়।
ছেলের স্বজনেরা জানান, নিউ ইস্কাটন রোডে পরিবারের সঙ্গে থাকত তন্ময়। সে দিলু রোডের ওই একই স্কুলের ছাত্র। তার একটি ছোট বোন আছে।
উভয় পরিবারের ভাষ্য, গতকাল সন্ধ্যায় দুজনই নিজ নিজ বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এর পর থেকেই তাঁদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মেয়ের পরিবার এ ঘটনায় শহাবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। আজ সকাল সাড়ে আটটার দিকে তাঁরা এ দুর্ঘটনার সংবাদ পান।
বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর তন্ময়ের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পরিবার সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।
Subscribe to:
Comments (Atom)